১. প্রাথমিক পরিচিতি (Basic Info Section)
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সময়কাল মোটামুটিভাবে ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই যুগটি বাংলা ভাষার বিবর্তন এবং সাহিত্যের বিকাশে এক অনন্য অধ্যায়। বড়ু চণ্ডীদাসের 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য দিয়ে এই যুগের সূচনা ধরা হয়। এরপর বৈষ্ণব পদাবলি, চৈতন্য জীবনী, মঙ্গলকাব্য এবং মধ্যযুগের শেষ দিকে শাক্ত পদাবলি ও ইসলামীয় ধারার সাহিত্য এই যুগকে সমৃদ্ধ করেছে। আজকের এই পাঠে আমরা এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা নিয়ে গভীর আলোচনা করব যা যে কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য।
২. অধ্যায়ের মূল নির্যাস (Core Concepts Summary)
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন: মধ্যযুগের আদি নিদর্শন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের ধামালি ও বিরহের বর্ণনা পাওয়া যায়।
- বৈষ্ণব পদাবলি: রাধা-কৃষ্ণের আধ্যাত্মিক প্রেমতত্ত্ব এবং ব্রজবুলি ভাষার অপূর্ব সংমিশ্রণ।
- চৈতন্য ও জীবনী: শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শনকে কেন্দ্র করে লেখা কালজয়ী সাহিত্য।
- মঙ্গল কাব্য: লৌকিক দেবী-দেবতাদের মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত আখ্যান কাব্য।
- অনুবাদ সাহিত্য: রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বাংলা রূপান্তর।
- ইসলামীয় ধারা: মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের রচিত রোমান্টিক প্রণয় উপাখ্যান ও ধর্মীয় সাহিত্য।
- শাক্ত পদাবলি: মা কালীর বন্দনা ও আধ্যাত্মিক ভাবনার বহিঃপ্রকাশ।
৩. সাহিত্যের বিভিন্ন ধারা ও গুরুত্ব
মধ্যযুগের সাহিত্য কেবল ধর্মকেন্দ্রিক ছিল না, বরং এতে তৎকালীন বাংলার সমাজচিত্র ও মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে। অনুবাদ সাহিত্যের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সংস্কৃত ধ্রুপদী সাহিত্যের স্বাদ পাওয়ার সুযোগ পায়। অন্যদিকে, মঙ্গলকাব্যগুলো বাংলার লৌকিক দেবীদের সমাজস্বীকৃতি লাভের ইতিহাস বহন করে। ইসলামীয় ধারার সাহিত্য বিশেষ করে আরাকান রাজসভার কবিদের হাত ধরে বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসে, যা সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ ছিল।
৪. পরীক্ষার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ টপিক
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ড সংখ্যা ও আবিষ্কারের ইতিহাস।
- বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পদের পার্থক্য।
- ব্রজবুলি ভাষা এবং এর বৈশিষ্ট্য।
- শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত বনাম শ্রীচৈতন্যভাগবত।
- মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গলের প্রধান চরিত্রসমূহ (বেহুলা-লখিন্দর, কালকেতু-ফুল্লরা)।
- কৃত্তিবাসী রামায়ণের বিশেষত্ব।
- কাশীরাম দাসের মহাভারতের জনপ্রিয়তা।
- আলাওলের 'পদ্মাবতী' ও এর প্রেক্ষাপট।
- রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্তের শাক্ত পদাবলি।
- ভারতচন্দ্রের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের ঐতিহাসিক গুরুত্ব।
৫. কুইক রিভিশন (২৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট)
- ১. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে।
- ২. এর সম্পাদক ছিলেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ।
- ৩. বৈষ্ণব পদাবলির শ্রেষ্ঠ কবি বিদ্যাপতি।
- ৪. বিদ্যাপতিকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।
- ৫. চণ্ডীদাসকে 'দুঃখের কবি' বলা হয়।
- ৬. চৈতন্য ভাগবতের রচয়িতা বৃন্দাবন দাস।
- ৭. চৈতন্য চরিতামৃতের লেখক কৃষ্ণদাস কবিরাজ।
- ৮. মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরিদত্ত।
- ৯. চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
- ১০. ধর্মমঙ্গলের বিখ্যাত কবি রূপরাম চক্রবর্তী।
- ১১. কৃত্তিবাস ওঝা গৌড়েশ্বরের নির্দেশে রামায়ণ লেখেন।
- ১২. মালাধর বসুর অনুবাদের নাম 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'।
- ১৩. শাহ মুহম্মদ সগীর লেখেন 'ইউসুফ-জুলেখা'।
- ১৪. আলাওল ছিলেন আরাকান রাজসভার কবি।
- ১৫. শাক্ত পদাবলির প্রধান দুটি ধারা—আগমনী ও বিজয়া।
- ১৬. রামপ্রসাদ সেনকে 'কবিরঞ্জন' উপাধি দেওয়া হয়।
- ১৭. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের শেষ কবি।
- ১৮. ব্রজবুলি মূলত মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণ।
- ১৯. শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের তিনটি চরিত্র—রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।
- ২০. বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গলের বিখ্যাত কবি।
- ২১. কাশীরাম দাস মহাভারত অনুবাদ করেন।
- ২২. বৈষ্ণব কবিতার প্রধান রস হলো শৃঙ্গার বা উজ্জ্বল রস।
- ২৩. মঙ্গলকাব্য মূলত দেবীর প্রতিষ্ঠা নিয়ে রচিত।
- ২৪. পদাবলির ভাব সম্মেলনের শ্রেষ্ঠ কবি গোবিন্দদাস।
- ২৫. শাক্ত পদাবলিতে ভক্ত ও ভগবানের সম্পর্ক মা-ছেলের।
৬. ওয়ান-লাইনার গুরুত্বপূর্ণ নোটস (One-Liners)
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্য ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
• চৈতন্য জীবনী: মুরারি গুপ্ত প্রথম সংস্কৃত ভাষায় চৈতন্য জীবনী লেখেন।
• মঙ্গলকাব্য: "সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী" দৌলত কাজীর বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য।
• শাক্ত পদাবলি: কমলাকান্ত ভট্টাচার্য বর্ধমান রাজসভার কবি ছিলেন।
• ইসলামীয় ধারা: সাবিরিদ খান 'বিদ্যাসুন্দর' কাব্য রচনার জন্য পরিচিত।
৭. গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি MCQ প্রশ্নোত্তর
- ১. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল?
(ক) বনবিষ্ণুপুর (খ) গোয়ালঘর (গ) বীরভূমের গ্রাম (ঘ) নদিয়া
উঃ (খ) গোয়ালঘর - ২. বিদ্যাপতি কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
(ক) আরাকান (খ) মিথিলা (গ) গৌড় (ঘ) বর্ধমান
উঃ (খ) মিথিলা - ৩. 'চৈত্যন্যচরিতামৃত' কাব্যের রচয়িতা কে?
(ক) বৃন্দাবন দাস (খ) জয়ানন্দ (গ) কৃষ্ণদাস কবিরাজ (ঘ) লোচন দাস
উঃ (গ) কৃষ্ণদাস কবিরাজ - ৪. মনসামঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
(ক) বিজয়গুপ্ত (খ) বংশীদাস (গ) নারায়ণ দেব (ঘ) কানাহরিদত্ত
উঃ (ক) বিজয়গুপ্ত - ৫. 'পদ্মাবতী' কাব্যটির মূল রচয়িতা কে?
(ক) আলাওল (খ) মালিক মুহম্মদ জায়সী (গ) শাহ মুহম্মদ সগীর (ঘ) দৌলত কাজী
উঃ (খ) মালিক মুহম্মদ জায়সী (আলাওল অনুবাদ করেন) - ৬. বাংলা রামায়ণের প্রথম অনুবাদক কে?
(ক) কৃত্তিবাস ওঝা (খ) কাশীরাম দাস (গ) মালাধর বসু (ঘ) কবীন্দ্র পরমেশ্বর
উঃ (ক) কৃত্তিবাস ওঝা - ৭. 'শাক্ত পদাবলি'র শ্রেষ্ঠ কবি কে?
(ক) কমলাকান্ত (খ) রামপ্রসাদ সেন (গ) রূপরাম (ঘ) ভারতচন্দ্র
উঃ (খ) রামপ্রসাদ সেন - ৮. 'ব্রজবুলি' ভাষায় সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন কে?
(ক) গোবিন্দদাস (খ) জ্ঞানদাস (গ) চণ্ডীদাস (ঘ) বলরাম দাস
উঃ (ক) গোবিন্দদাস - ৯. শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে কয়টি খণ্ড আছে?
(ক) ১০টি (খ) ১২টি (গ) ১৩টি (ঘ) ১৫টি
উঃ (গ) ১৩টি - ১০. মঙ্গলকাব্যের শাখা নয় কোনটি?
(ক) মনসামঙ্গল (খ) চণ্ডীমঙ্গল (গ) ধর্মমঙ্গল (ঘ) বৈষ্ণব পদাবলি
উঃ (ঘ) বৈষ্ণব পদাবলি - ১১. 'মৈথিল কোকিল' কাকে বলা হয়?
(ক) বিদ্যাপতি (খ) গোবিন্দদাস (গ) চণ্ডীদাস (ঘ) বিদ্যাপতি
উঃ (ক) বিদ্যাপতি - ১২. চণ্ডীমঙ্গলের চরিত্র নিচের কোনটি?
(ক) বেহুলা (খ) ফুল্লরা (গ) লোর (ঘ) ইউসুফ
উঃ (খ) ফুল্লরা - ১৩. 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্যটি কার লেখা?
(ক) মালাধর বসু (খ) পরমেশ্বর (গ) কৃত্তিবাস (ঘ) কাশীরাম দাস
উঃ (ক) মালাধর বসু - ১৪. চৈতন্যদেবের বাল্যনাম কী ছিল?
(ক) নিমাই (খ) বিশ্বম্ভর (গ) গৌর (ঘ) উপরের সবকটি
উঃ (ঘ) উপরের সবকটি - ১৫. আলাওল কোন শতাব্দীতে আবির্ভূত হন?
(ক) ১৫শ (খ) ১৬শ (গ) ১৭শ (ঘ) ১৮শ
উঃ (গ) ১৭শ - ১৬. 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা কে?
(ক) মুকুন্দরাম (খ) ভারতচন্দ্র (গ) রূপরাম (ঘ) বিজয়গুপ্ত
উঃ (খ) ভারতচন্দ্র - ১৭. রামপ্রসাদ সেনকে 'কবিরঞ্জন' উপাধি কে দেন?
(ক) রাজা কৃষ্ণচন্দ্র (খ) গৌড়েশ্বর (গ) হোসেন শাহ (ঘ) লক্ষণ সেন
উঃ (ক) রাজা কৃষ্ণচন্দ্র - ১৮. 'ইউসুফ-জুলেখা' কোন ধারার কাব্য?
(ক) মঙ্গলকাব্য (খ) বৈষ্ণব পদাবলি (গ) রোমান্টিক প্রণয় উপাখ্যান (ঘ) শাক্ত পদাবলি
উঃ (গ) রোমান্টিক প্রণয় উপাখ্যান - ১৯. 'কালকেতু' উপাখ্যান কোন মঙ্গলের অংশ?
(ক) মনসামঙ্গল (খ) চণ্ডীমঙ্গল (গ) ধর্মমঙ্গল (ঘ) কালিকা মঙ্গল
উঃ (খ) চণ্ডীমঙ্গল - ২০. বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কোন সময়কে?
(ক) ১২০১-১৩৫০ (খ) ১৩৫০-১৫০০ (গ) ৯৫০-১২০০ (ঘ) ১৮০০-১৯০০
উঃ (ক) ১২০১-১৩৫০ - ২১. কাশীরাম দাসের নিবাস কোথায় ছিল?
(ক) বর্ধমান (খ) নদীয়া (গ) মেদিনীপুর (ঘ) চব্বিশ পরগনা
উঃ (ক) বর্ধমান (সিঙ্গি গ্রাম) - ২২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়াই চরিত্রটি কিসের প্রতীক?
(ক) দূতী (খ) খলচরিত্র (গ) দেবী (ঘ) জননী
উঃ (ক) দূতী - ২৩. বিদ্যাপতি কোন ভাষায় পদ রচনা করেছেন?
(ক) বাংলা (খ) মৈথিলি ও ব্রজবুলি (গ) হিন্দি (ঘ) সংস্কৃত
উঃ (খ) মৈথিলি ও ব্রজবুলি - ২৪. বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি কে?
(ক) বড়ু চণ্ডীদাস (খ) চণ্ডীদাস (গ) বিদ্যাপতি (ঘ) জয়দেব
উঃ (খ) চণ্ডীদাস (অনেকের মতে বড়ু চণ্ডীদাস) - ২৫. চৈতন্য ভাগবতের আগের নাম কী ছিল?
(ক) চৈতন্য মঙ্গল (খ) চৈতন্য চরিত (গ) শ্রীচৈতন্য কাব্য (ঘ) নিমাই চরিত
উঃ (ক) চৈতন্য মঙ্গল - ২৬. লখিন্দরের জীবন বাঁচিয়েছিলেন কে?
(ক) মনসা (খ) বেহুলা (গ) শিব (ঘ) চাঁদ সওদাগর
উঃ (খ) বেহুলা - ২৭. মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কে?
(ক) কৃত্তিবাস (খ) কাশীরাম দাস (গ) সঞ্জয় (ঘ) মালাধর বসু
উঃ (খ) কাশীরাম দাস - ২৮. শাক্ত পদাবলিতে মায়ের আগমনের গানকে কী বলে?
(ক) আগমনী (খ) বিজয়া (গ) পদাবলি (ঘ) ঝুমুর
উঃ (ক) আগমনী - ২৯. আলাওলের দ্বিতীয় বিখ্যাত কাব্যের নাম কী?
(ক) তোহফা (খ) সয়ফুল মূলুক (গ) সেকান্দরনামা (ঘ) সপ্তপয়কর
উঃ (খ) সয়ফুল মূলুক - ৩০. চণ্ডীমঙ্গলের 'ধনপতি সওদাগর' উপাখ্যানটি কোন খণ্ডের?
(ক) আস্তিক খণ্ড (খ) বনিক খণ্ড (গ) ব্যাধ খণ্ড (ঘ) দেব খণ্ড
উঃ (খ) বনিক খণ্ড - ৩১. বাংলা সাহিত্যে 'কবিকঙ্কন' কার উপাধি?
(ক) মুকুন্দরাম (খ) ভারতচন্দ্র (গ) কৃত্তিবাস (ঘ) চণ্ডীদাস
উঃ (ক) মুকুন্দরাম - ৩২. 'বড়ু' শব্দটি কিসের পরিচয় দেয়?
(ক) নাম (খ) উপাধি (গ) বংশ (ঘ) পেশা
উঃ (খ) উপাধি (ব্রাহ্মণ পুরোহিত) - ৩৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুথি কোথায় পাওয়া গিয়েছিল?
(ক) নদিয়ার মন্দিরে (খ) বাঁকুড়ার কাকিল্যা গ্রামে (গ) বীরভূমের বাড়িতে (ঘ) শান্তিপুরে
উঃ (খ) বাঁকুড়ার কাকিল্যা গ্রামে - ৩৪. বিদ্যাপতিকে 'বাঙালী' প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন কে?
(ক) ড. সুকুমার সেন (খ) দিনেশচন্দ্র সেন (গ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (ঘ) রাজেন্দ্রলাল মিত্র
উঃ (ঘ) রাজেন্দ্রলাল মিত্র - ৩৫. 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের সমাপ্তি করেন কে?
(ক) দৌলত কাজী (খ) আলাওল (গ) কোরেশী মাগন ঠাকুর (ঘ) শাহ বারীদ খান
উঃ (খ) আলাওল - ৩৬. বৈষ্ণব পদাবলিতে 'পীরিতি'র গুরুত্ব কে বেশি দিয়েছেন?
(ক) চণ্ডীদাস (খ) বিদ্যাপতি (গ) গোবিন্দদাস (ঘ) জ্ঞানদাস
উঃ (ক) চণ্ডীদাস - ৩৭. লৌকিক দেবতার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
(ক) করুণা (খ) ক্রোধ ও প্রতিহিংসা (গ) ক্ষমা (ঘ) নির্লিপ্ততা
উঃ (খ) ক্রোধ ও প্রতিহিংসা - ৩৮. 'গুনরাজ খান' উপাধি কার ছিল?
(ক) কৃত্তিবাস (খ) মালাধর বসু (গ) কাশীরাম দাস (ঘ) ভারতচন্দ্র
উঃ (খ) মালাধর বসু - ৩৯. আধুনিক যুগের প্রাক্কালে কোন কবির আবির্ভাব ঘটে?
(ক) রামপ্রসাদ সেন (খ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (গ) মুকুন্দরাম (ঘ) আলাওল
উঃ (খ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর - ৪০. মধ্যযুগের সাহিত্যের শেষ বড় ধারা কোনটি?
(ক) মঙ্গলকাব্য (খ) শাক্ত পদাবলি (গ) ইসলামীয় ধারা (ঘ) অনুবাদ সাহিত্য
উঃ (খ) শাক্ত পদাবলি
৮. এক নজরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে মনে রাখুন: মধ্যযুগের সাহিত্য মূলত ভক্তি ও লৌকিক বিশ্বাসের আকর। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন থেকে শুরু করে ভারতচন্দ্র পর্যন্ত যে দীর্ঘ পথচলা, সেখানে বাংলা ভাষা ক্রমবিকশিত হয়েছে। বিশেষ করে বৈষ্ণব ও শাক্ত পদাবলি বাঙালির হৃদয়ের আবেগ ধারণ করে আছে। প্রতিটি মঙ্গলের প্রধান কবি ও তাদের সৃষ্টির মূল নামগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
Study Notes PDF
Download this article for offline study
Social Platforms